শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১২ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাংবাদিকের যে প্রশ্নে ক্ষেপে গেলেন জামায়াত আমীর! (ভিডিও)

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এটিই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের পুষ্পস্তবক অর্পণ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি শহীদ মিনারে যান। এ সময় তার সঙ্গে এনসিপির নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ডা. শফিকুর রহমান সেখানে মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে শহীদ মিনার এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াত আমির। জামায়াত কখনো ফুল দিতে শহীদ মিনারে আসেনি, এবার কী মনে করে আসলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে তাই আমি এসেছি।

এখনও কি জামায়াতে ইসলামী এটাকে নাজায়েজ মনে করেন—এমন প্রশ্ন বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এমন একটা পবিত্র দিনে এ ধরনের প্রশ্ন আপনি কেন করছেন, এমন প্রশ্ন না করাই ভালো।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ডা. শফিকুর রহমান সরাসরি আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন। আজিমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যারা মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে প্রাণ দিয়েছেন, তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মোনাজাত করা হয়েছে।

নাগরিক অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন যে, ভাষার অধিকার অর্জিত হলেও দেশের মানুষ এখনো প্রকৃত নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠিতি কায়েমি স্বার্থবাদী সরকারগুলো জনগণের অধিকার গায়ের জোরে চাপায় দিতে চেয়েছিল বলেই বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহের ফলে আমরা ভাষার অধিকার পেয়েছি। তবে মানবিক সমাজ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়