শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৩ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার কারাগার থেকে প্রার্থী হলেন সাবেক যুবলীগ নেতা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কারাগারে থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সালেক মূহিদের কাছে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর (সোমবার) মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে নিজ বাড়ি ও নির্বাচনী এলাকা শ্রীপুরে ফেরার পথে নিজনান্দুয়ালী হাজরার মোড় নামক স্থান থেকে গ্রেপ্তার হন কুতুবুল্লাহ। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন মিয়ার ছেলে।

কুতুবুল্লাহর ছোট ভাই শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরিয়ত উল্লাহ রাজন বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে—এমন প্রত্যাশা নিয়ে আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম, কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ কোনো মামলা ছাড়াই ভাইকে গ্রেপ্তার করে। যে কারণে সোমবার অতি গোপনে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

পরিবারের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে রাজন বলেন, আমার বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। বড় ভাই ২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে প্রায় দেড় যুগ ধরে আমাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই বরং বিভিন্ন সময়ে দলটির দ্বারা আমি নির্যাতিত হয়েছি।

তিনি জানান, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বড় ভাই কুটি মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রফেসর ড. সিরাজুল আকবরের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তখন জনগণ আমাদের পক্ষে ভোট দিলেও জয় ঘোষণা করা হয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নামে। আমাদের পারিবারিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে আমি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হয়েছি।

আমার বড় ভাইও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও আমাদের নামে গত বছর মামলা দেওয়া হয়েছে। সেসব মামলায় জামিন পেয়েছি। তারপরও অন্যায়ভাবে ভাইকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে অতীতের মতো এবারও নির্বাচনী এলাকার মানুষ পাশে থাকবে বলে তিনি জানান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়