শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৩৮ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান

লন্ডনে বসবাস ও ঢাকায় থাকার অভিজ্ঞতার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হিসেবে নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেছেন জাইমা রহমান। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, নিরাপত্তা কেবল ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়—এর প্রভাব পুরো সমাজের ওপর পড়ে।

স্ট্যাটাসে জাইমা রহমান উল্লেখ করেন, অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেন যে, লন্ডনে থাকা আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি কি? আমার ভাবনায় একটিই বিষয় আসে সেটি হলো নিরাপত্তা।

এটি নিয়ে আমি প্রায়ই ভাবি যে, বাংলাদেশে আমাদের তরুণদের কাছে নিরাপত্তা বলতে আসলে কী অর্থ বহন করে? যখন একজন নারী অনলাইনে হয়রানির শিকার হন, কিংবা রাস্তায় চলাচলে অস্বস্তি বোধ করেন তখন তা কেবলই তার একার বিষয় থাকে না। ধীরে ধীরে এর প্রভাব আমাদের সমাজে সবার ওপর পড়ে। 

আমরা কোথায় যাব, কী বলব, অনলাইনে কী লিখব সবকিছুতেই একটা ভয়ের সৃষ্টি হয়। আর সেই ভয় থেকেই অনেক ক্ষেত্রে মানুষ নিশ্চুপ হয়ে যায়, নিজেকে গুটিয়ে নেয়।

কিন্তু আমি মনে করি, পরিবর্তন শুরু হতে পারে খুব ছোট ও সাধারণ কিছু বিষয় দিয়ে। যেমন অনলাইনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, হয়রানির শিকার হলে সহজে ও গোপনে প্রতিকারের নিশ্চয়তা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আচরণ ও নিরাপত্তা নিয়ে কার্যকরী শিক্ষাব্যবস্থা এবং নারীরা যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারেন তা সুনিশ্চিত করা ইত‍্যাদি। 

কারণ দৈনন্দিন জীবনে নারীরা যখন নিজেদের নিরাপদ বোধ করবেন, তখন সমাজের অন‍্য সকলেই আরও বেশি নিশ্চিন্তভাবে নাগরিক জীবন যাপনে স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়