শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৭:৪৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী রোববার মামলার রায় ঘোষণা করবেন আদালত। শুনানিকালে আদালতের কাঠগড়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার আসামি স্বপ্না খাতুন ওরফে স্বপ্না বেগম।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

শুনানির আগে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়। সকালে স্বপ্নাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। তবে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার আগে স্বপ্না অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এজলাসে নেওয়ার পর থেকে কান্না করতে থাকেন স্বপ্না। শুনানির একপর্যায়ে বেলা ১টার দিকে তিনি হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান। এ সময় আদালতে দায়িত্বরত দুই নারী পুলিশ সদস্য তাঁকে নিবৃত করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতকক্ষে শোরগোল শোনা যায়।

পরে বিচারক মাসরুর সালেহীন আসামিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দুজন নীরবে যুক্তিতর্ক শুনুন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য শুনেছি। আজ যুক্তিতর্ক শুনবেন। অন্যথায় আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে।’

বিচারকের নির্দেশের পর পরিস্থিতি শান্ত হলেও স্বপ্নাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। অন্যদিকে সোহেল রানা নীরবে আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত আগামী রোববার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়