শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২৬, ০৩:৫৩ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

ঈদুল আজহায় বাংলাদেশকে মোদির শুভেচ্ছা: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের কাছে পাঠানো এক বিশেষ পত্রে তিনি এই সৌহার্দ্যপূর্ণ শুভেচ্ছা জানান বলে কূটনৈতিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেন, এই পবিত্র উৎসবটি ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দেশের লাখ লাখ মুসলিম অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করে থাকেন। ঈদুল আজহা ত্যাগ, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বের চিরন্তন আদর্শকে সমুন্নত রাখে, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ার জন্য অত্যন্ত আবশ্যক।

নরেন্দ্র মোদি তার চিঠিতে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ আত্মত্যাগ, সাংস্কৃতিক মিল এবং শান্তি, স্থায়িত্ব ও প্রগতির এক পারস্পরিক আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা গভীর শিকড়ের বন্ধন ভাগাভাগি করে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনমুখী সহযোগিতা আরও জোরদার করতে ভারত সরকার বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে প্রতিফলিত হওয়া পারস্পরিক অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি মূলত দুই দেশের জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যেই পরিচালিত।

চিঠির শেষাংশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের ক্রমাগত অগ্রগতি, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়