শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫১ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

রুশ বিপ্লবের বীর শহীদদের স্মরণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকাস্থ রুশ হাউসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মনিরুল ইসলাম:  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মদানকারী সোভিয়েত ইউনিয়নের বীর সেনাদের স্মরণে এবং Great Patriotic War  (১৯৪১-১৯৪৫) এর ৮১তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে 'গার্ডেন অব মেমোরি'  বা ‘স্মৃতি উদ্যান’ শীর্ষক এক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার উদ্যোগে ধানমন্ডি লেকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

'গার্ডেন অব মেমোরি' রাশিয়া থেকে শুরু হওয়া একটি আন্তর্জাতিক স্মারক উদ্যোগ, যা Great Patriotic War এ নিহতদের স্মরণে উৎসর্গিত। এ কর্মসূচিতে প্রতি বছর রাশিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাছ রোপণ করা হয়। রোপনকৃত প্রতিটি গাছ একটি প্রাণের প্রতীক হিসেবে একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রশংসা করে বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে করেন। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ লক্ষ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রশাসক আরও বলেন,  “গার্ডেন অব মেমোরি” শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক এবং পরিবেশ রক্ষায় যৌথ দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।"

তিনি শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর হিরোদের স্মরণে এই আয়োজন করার জন্য ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাস ও রুশ হাউসকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সেলর  ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিন (Vyacheslav Sentyurin) এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকাস্থ রুশ হাউসের পরিচালক  আলেকজান্দ্রা এ. খলেভনয় (Alexandra Khlevnoy)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়