শিরোনাম
◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৭ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৭ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে সর্বোচ্চ সাত মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টির সক্ষমতা রাখা ফল্ট লাইনগুলো এখন বড় আতঙ্কের কারণ। অথচ দুর্যোগ মোকাবিলায় আইন থাকলেও নেই তার প্রয়োগ। তাই ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেইসঙ্গে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বাইরে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ভবন তদারকির কথাও বলা হয়।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ডিআরইউতে পেশাজীবী সংগঠন পেপার্স আয়োজিত ‘ভূমিকম্প: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব পরামর্শ দেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে ৭ বা তার কাছাকাছি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার ফল্ট রয়েছে। দেশের উত্তর আর পূর্বাঞ্চল ভূমিকম্পের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।’

মাটি কেমন এবং জনবসতি কতটা- এর ওপর ভূমিকম্প কত গভীরতায় হবে তা নির্ভর করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। বিল্ডিং কোড, রুলস রেগুলেশন ইমপ্লিমেন্টের জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে।’
 
বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক স্থপতি ড. খন্দকার সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘ভূমিকম্প মোকাবিলায় বিল্ডিং কোড রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। এছাড়া এ আই ব্যবহার করে এখন ভূমিকম্প আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব।’
  
বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারি বলেন, ‘ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক নিজেই ছাড়পত্র দিচ্ছে, নকশার অনুমোদন দিচ্ছে তাই নির্মাণের সামগ্রিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাজউকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে তৃতীয় পক্ষ নিয়োগ করতে হবে।’
 
নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধারকাজে বেশি বিনিয়োগ করা হয়। কিন্তু ভবন নির্মাণে সেই বিনিয়োগ দেখা যায় না।’
 
ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণের পরামর্শ দিয়ে এই অধ্যাপক বলেন, ‘ভূমিকম্পের সময় ভবনের কোথায় থাকতে হবে তা নিয়ে সচেতন হতে হবে। ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতিদের যথোপযুক্ত ট্রেনিং দিতে হবে।’ উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়