শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১১ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

সংসদ সদস্যদের শিষ্টাচার ও সংসদীয় রীতিনীতি মেনে চলার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম/ছবি: সংগৃহীত

মনিরুল ইসলাম: জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের (এমপি) শিষ্টাচার ও সংসদীয় রীতিনীতি মেনে চলার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ করে সংসদ কক্ষে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় স্পিকারের চেয়ারের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার  জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদীয় রীতিনীতির বিভিন্ন ব্যত্যয় লক্ষ্য করে স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কিছু করা আমাদের পক্ষে অনুচিত বলে জানান।

চেয়ারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বৈশ্বিক রীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্পিকার বলেন, সংসদে অনেক সদস্য প্রবেশ করার সময় চেয়ারের প্রতি কোনো সম্মান প্রদর্শন করেন না, যাওয়ার সময়ও করেন না। এটি বিশ্বব্যাপী সংসদের প্রচলিত নিয়ম যে, ঢোকার সময় মাথা নত করে কিংবা সালাম দিয়ে বা বের হওয়ার সময়ও সম্মান প্রদর্শন করে তারপরে যেতে হয়। আমি দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি, এই সাধারণ নিয়মগুলো অনেকেই মানছেন না।

অধিবেশন চলাকালে যাতায়াত ও মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে স্পিকার বলেন, আজকে দেখলাম দুজন সদস্য দর্শক গ্যালারিতে উপবিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে হ্যান্ডশেক করছেন। এটি একেবারেই অনভিবৃত। স্পিকার এবং বক্তা যখন সংসদ চলে, এর মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ক্রস করাটা সঠিক নয়। কিন্তু এটি আমি হরহামেশা লক্ষ্য করছি। এছাড়া অনেক সদস্য সংসদে টেলিফোনে কথাবার্তা বলেন। টেলিফোনে আলাপ করার কোনো রেওয়াজ সংসদে নাই। আপনাদের টেলিফোনটা দয়া করে মিউট করে রাখবেন।

সংসদ কক্ষে পানাহারের মতো নজিরবিহীন ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদে ইতিমধ্যে একজনকে পানাহার অবস্থায় দেখতে পেয়েছি। সংসদে খাওয়া-দাওয়া বা পানাহারের কোনো বিধান নেই। এই কথাগুলো বলতে আমার খারাপ লাগছে, কিন্তু অতীতে এ ধরনের জিনিস ছিল না। আমাদের এই সংসদের ট্রেডিশন বজায় রাখা সকলের কর্তব্য।

সবশেষে নতুন সংসদ সদস্যদের সংসদীয় বিধিবিধানের বই পড়ার পরামর্শ দিয়ে স্পিকার বলেন, যারা নতুন সংসদে এসেছেন, অধিকাংশ নতুন রুলস অফ প্রসিডিউর বইটা ভালোভাবে পড়ে ইকুইপ হয়ে তারপরে দাঁড়াবেন। তাহলে আপনাদের জন্য সহজ হবে এবং আমাদেরও কোনো অপ্রীতিকর কথা বলতে হবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়