শিরোনাম
◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি?

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

সংসদে বিল পাস, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে

মনিরুল ইসলাম: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে নতুন আইনগত পদক্ষেপ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে, যার ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে।

আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দিতে চাইলে তা বিধিসম্মত না হওয়ায় স্পিকার অনুমতি দেননি। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।
উল্লেখ্য, আইনটি পাসের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের আইনী ভিত্তি পেল।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের ভিত্তিতে কার্যকর ছিল। পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত একটি বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে সংশোধিত আকারে সংসদে আইন হিসেবে পাসের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশের আলোকে বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার ফলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পাশাপাশি দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিচারের পথ সুগম হবে। অবশ্য এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়