শিরোনাম
◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৭:২৯ বিকাল
আপডেট : ১০ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গত ৮ বছর দেশে হামের কোনো টিকা দেওয়াই হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে দীর্ঘ ৮ বছর হামের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে টিকা সংগ্রহে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক ওষুধশিল্প মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মিজেলসের রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে শেষবার ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছিল। এরপর আর কোনো সরকার এই টিকা দেয়নি।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে টিকা ক্রয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, পারচেজ কমিটি পাস হয়েছে। খুব দ্রুত আমরা ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করব।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্যাম্পেইনের সময় ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হয়। তবে দীর্ঘদিন এই কার্যক্রম স্থবির থাকায় নতুন করে সংক্রমণ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের শুরুতেই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। ৪ঠা জানুয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয় এবং ১০ই জানুয়ারি সতর্কতা জারি করা হয়। পরে রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকাগুলোতেও রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি- যাদের বড় অংশই হামে আক্রান্ত শিশু।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঢাকার ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সংযুক্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেলে। এছাড়া মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকাতেও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ সংকটে শিশুমৃত্যুর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নতুন ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করছে বলেও জানান তিনি। ইতোমধ্যে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাওয়া গেছে, যার চারটি রাজশাহীতে পাঠানো হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো শিগগিরই আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর সরবরাহ করবে। এসব সরঞ্জাম হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়