শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০২:৫১ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

‘সারাদিনের তেল ৩ ঘণ্টায় শেষ’—সংকট নয়, বাড়তি চাহিদা, অতিরিক্ত মজুত না করার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ‘হঠাৎ করে এমন ডিমান্ড বেড়ে গেছে যে যারা নাকি সারাদিনে যে তেল বিক্রি করত, সেই তেল ৩ ঘণ্টায় সে শেষ করে ফেলছে। ন্যাচারালি তেল শেষ হয়ে যাবে তো।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘হঠাৎ জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আগে সারাদিনে পাম্পগুলো যে পরিমাণ তেল বিক্রি করত—তা তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।’ ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার প্রথম কার্যদিবসে সচিবালয়ে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

সচিবালয়ে তেলের পাম্পগুলো রেশনিং করার ব্যাখ্যা তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘প্রবলেমটা হচ্ছিল যে সকাল বেলা, আগে যেমন ট্যাংক লরি ওরা ভরত, সারাদিন তেল থাকত, উদ্বৃত্ত থাকত। কিন্তু সারাদিন এরকম লাইন দিয়ে বিক্রি করার পর উদ্বৃত্ত থাকে না এবং আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেল যে ট্যাংক দিয়ে পৌঁছাতে টাইম লাগে। সেইজন্য সকালবেলা আর্লি মর্নিংয়ে থাকে না, পরে তো থাকে।’

জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঈদের মধ্যে যে সবাই বাড়িতে গেল, কোনো বাস কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়েছে? ঈদটা গেল, কোনো তো অসুবিধা হয় নাই, তেলের জন্য কোনো অসুবিধা হইছে? তাহলে আমার মনে হয় যে এখন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু মানুষকে বোঝাতে হবে। অকারণে মজুত করার কোনো দরকার নাই। সংকট তো আমরা তৈরি করি নাই। আমরা আমদানি করি। পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে, সে জন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে।’

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না। সেটি এনার্জি কমিশন দেখে। আমরা এখনো দাম বাড়াইনি।’

মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। আপনি কালকেও বলেছেন যে আসলে তেলের সংকট নাই, তাহলে মানুষ তেল পাচ্ছে না কেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‌‘সমস্যাটা হচ্ছিল যে সকালবেলা আগে যেমন ট্যাংক-লরি ওরা ভরতো, সারাদিন বিক্রি করেও তেল উদ্বৃত্ত থাকতো। কিন্তু ওরা এ রকম লাইন দিয়ে বিক্রি করার পরে উদ্বৃত্ত থাকে না। আর আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেল ট্রাক দিয়ে ভরতে টাইম লাগে, এজন্য সকালবেলা আর্লি মর্নিংয়ে তেল থাকে না, পরে তো থাকে।’

তিনি বলেন, কিন্তু ইউ হ্যাভ টু আন্ডারস্ট্যান্ড ওয়ান থিং। ডিমান্ড আর স্টক তো হঠাৎ করে এ রকম ডিমান্ড বেড়ে গেছে যে যারা নাকি সারাদিনে যে তেল বিক্রি করতো সেই তেল তিন ঘণ্টায় এসে শেষ করে ফেলছে। তো ন্যাচারালি তেল শেষ হয়ে যাবে তো।

তিনি বলেন, একটা বিষয় বুঝতে হবে যে হঠাৎ করে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে পেট্রোল পাম্পে, একটা প্রসেসের পেট্রোল পাম্প চলে। আমরা যেভাবে তেল দিই, সেই নিয়মটা এখন ভেঙে পড়েছে‌। এত ভিড়, প্রতিদিন পেট্রোল পাম্পের যে তেল দেওয়া হয় সেটাই থাকে। কিন্তু গ্রাহক তো বেড়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবে তেলে তো লাইন থাকবে, পাবে না, স্বাভাবিক কিছু না।

সরকার আবার রেশনিংয়ে যাবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন এটা বলা আমার পক্ষে সম্ভব না।’

জনগণকে আহ্বান জানিয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানুষকে বলেছি আপনারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল নিয়েন না। এতে আমরা সরবরাহ ঠিক রাখতে পারব না। তেল আছে আপনারা তেল পাবেন।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়