শিরোনাম
◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৩২ দুপুর
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আধিপত্য ও চাঁদাবাজি নিয়ে দ্বন্দ্বে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড, বিদেশে থাকা ‘বিনাশ’-এর নির্দেশ: ডিবি (ভিডিও)

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।

ডিবি প্রধান জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের জন্য আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয়। এই চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।


শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট দল নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।’

গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যতম প্রধান শ্যুটার মো. রহিমকে গতকাল শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।


রহিমের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি এই মামলার আরও চার আসামি—জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোট পাঁচজন এখন পুলিশের হেফাজতে।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রহিম ও জিন্নাত নামের দুইজন সরাসরি গুলিবর্ষণে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পর একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে ‘দাদা’ বা বিনাশের নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে। বিনাশ বর্তমানে দেশের বাইরে থাকলেও তাঁর নাম ভাঙিয়ে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত চাঁদা তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের এই ৮-৯টি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট আমরা অচিরেই ভেঙে দেব। খুব শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে।’ তিনি আরও জানান, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সতর্ক রয়েছে এবং গত এক মাসেই সর্বোচ্চ ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়