শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের আগে নতুন বিতর্ক, ইরানের ১৪ কর্মকর্তা ও স্টাফকে ভিসা দিলো না যুক্তরাষ্ট্র ◈ ইরানে ইসরাইলের পালটা হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ◈ ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, সুনামির ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা ◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ◈ ইরানের বিরুদ্ধে পালটা অভিযানে না যেতে নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করবেন ট্রাম্প ◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পে স্কেল কাঠামোর বাইরে রয়েছেন যারা

জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সভায় অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি নিয়ে কোনো আলোচনা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। রোববার সংগঠনটির সভাপতি রেজোয়ান খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতা প্রদানসহ বিদ্যমান জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের ১ম-৬ষ্ঠ গ্রেডের পরবর্তী ৭ম-১২তম গ্রেডভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিশনের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও অধস্তন আদালতে কর্মরত সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ন্যায্য দাবি স্থান পায়নি। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া ৯ অক্টোবর কমিশন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, আইন মন্ত্রণালয়, আইন কমিশন ও বিচার প্রশাসন ইন্সটিটিউট) সঙ্গে বিচারকগণের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। কিন্তু সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনার বাইরে। কমিশনের আলোচনায় বিচার বিভাগে কর্মরত একমাত্র বিচারকের বেতন ভাতা বিষয়ে আলোচনা হলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত এ আলোচনায় উল্লেখ নেই। অথচ দেশের বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রায় ২০ হাজার সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাতের শ্রমই বিচার বিভাগকে সচল রাখে।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি মো. রেজোয়ান খন্দকার বলেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, তাতে অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের কোনো প্রতিফলন নেই। বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় প্রথম শর্তই হলো বৈষম্যহীন কাঠামো নিশ্চিত করা।

সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়নি। ৯ অক্টোবরের সভায় যদি সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয় এবং ২০২৫ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রতিবেদনে যদি আবারও কর্মচারীরা বঞ্চিত হন তাহলে লাগাতার শাটডাউনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার জন্য অ্যাসোসিয়েশন প্রস্তুত থাকবে। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়