শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪১ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগর-রুনি হত্যা : পর্দার আড়ালে শক্তিশালী কোনো গোষ্ঠী এই ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে সন্দেহ সাংবাদিকনেতাদের

মনিরুল ইসলাম : ১৪ বছরেও সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদঘাটন না হওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তারা পর্দার আড়ালে শক্তিশালী কোনো গোষ্ঠী এই ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে  সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ  সমাবেশে  সাংবাদিক নেতারা সন্দেহ প্রকাশ করেন। তারা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে সাংবাদিক সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ার দেন।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, "সাগর-রুনি হত্যার বিচারের জন্য শুরুতে সাংবাদিকদের মধ্যে যে ঐক্য ছিল, তা সময়ের সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই সুযোগে একটি মহল সুবিধা নিয়েছে।

ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, “সাগর সরওয়ার ও মেহরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজ ক্ষুব্ধ। এই হত্যার বিচার না হলে ভবিষ্যতে কেউই নিরাপদ থাকবে না।”

ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২৩ বার পেছানো হয়েছে, যা নজিরবিহীন। কেন র‌্যাবের হাতে তদন্ত দেওয়া হল, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।

বক্তারা বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অগ্রগতির কথা বলা হলেও ১৪ বছরেও তা বাস্তবে দেখা যায়নি। পর্দার আড়ালে শক্তিশালী কোনো গোষ্ঠী এই ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে বলে সন্দেহ রয়েছে। বিগত সরকারের পাশাপাশি পরবর্তী সময়েও মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এখন আমাদের দায়িত্ব, এই ধামাচাপার সংস্কৃতি ভেঙে দেওয়া।

সাংবাদিকরা ডিআরইউসহ অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাগর-রুনি হত্যার বিচারের জন্য আন্দোলনের ডাক দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র  রিপোর্টার  মেহেরুন রুনি।

রুনির ভাই নওশের আলম রোমান সে সময় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না পড়ায় বিচার প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়