শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজা: সেহরি ও ইফতারে কী খাবেন, কী এড়াবেন

সচেতনতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীরাও নিরাপদে রোজা রাখতে পারবেন। রমজান মাসে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা রাখা সম্ভব। তবে তা হতে হবে সচেতনতা ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে। নিয়ম মেনে চললে জটিলতা এড়িয়ে সুস্থভাবেই রোজা রাখা সম্ভব।

আর রমজান মাসে তারাবি নামাজ আদায় করলে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না। তবে রোজা রেখে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা ঠিক নয়। যদি রক্তে শর্করা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায় কিংবা শরীর বেশি খারাপ লাগে, তাহলে দেরি না করে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিচে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় কয়েকটি নির্দেশনা তুলে ধরা হলো—

সেহরি যতটা সম্ভব শেষ সময়ের কাছাকাছি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকি কম থাকে এবং ক্লান্তিও কম লাগে। সে জন্য সুষম ও ধীরে হজম হয় এমন খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের বেছে নেওয়া উচিত।

লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটসের মতো আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান। সঙ্গে মাছ, মাংস বা ডাল এবং প্রচুর শাকসবজি রাখুন। চাইলে এক গ্লাস দুধও খেতে পারেন। এসব খাবার ধীরে হজম হয়। ফলে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়। 

যেভাবে ইফতার করবেন—

১. খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা ভালো। তবে যাদের কিডনির সমস্যা আছে, তারা খেজুর এড়িয়ে চলুন।

২. ভাজাপোড়া ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ বেগুনি, চপ বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। এর বদলে চিড়া, মুড়ি, টকদই বা ডাবের পানি বেছে নিতে পারেন।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন, যাতে পানিশূন্যতা না হয়।

৪. নিয়মিত সুগার মাপুন। ওষুধ ও চেকআপ করুন। রোজার সময় গ্লুকোমিটার দিয়ে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন। খুব বেশি বেড়ে গেলে বা কমে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

৫.  সবশেষে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। রোজা শুরুর আগে ইনসুলিন কিংবা ওষুধের ডোজ ও সময় পরিবর্তন নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। সাধারণত সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে নেওয়া হয়—তবে এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়