শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৬, ০৫:৪০ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে?

আর মাত্র কদিন পরেই ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। কোরবানি একটি ইবাদত, যার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবেহ করা।

আল্লাহ তায়ালা কোরবানি শুধু তার জন্যই করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, বলে দাও, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার ইবাদত ও আমার জীবন-মরণ সবই আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক। তার কোনও শরীক নেই। আমাকে এরই হুকুম দেওয়া হয়েছে এবং আনুগত্য স্বীকারকারীদের মধ্যে আমিই প্রথম। (সুরা আনআম, আয়াত : ১৬২-১৬৩)

অর্থাৎ, নামাজ, কোরবানি সব ইবাদতই আল্লাহ তায়ালার জন্য আদায় করতে হবে। কারণ, মুশরিকরা প্রতিমার জন্য প্রার্থনা করে, পশু জবাই করে। এর বিপরীতে মুসলিমদের সব কাজে ইখলাস অবলম্বন করতে হবে।

ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশু জবাই করার সময় শুরু হয় ঈদুল আজহার নামাজের পর থেকে। সুতরাং এলাকার ঈদের নামাজ শেষ হবার পর কোরবানি করতে হবে। ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার আগে কোরবানি করলে তা আদায় হবে না।

জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি (সা.) কোরবানির দিন নামাজ আদায় করেন, তারপর খুতবা দেন। তারপর জবেহ করেন এবং তিনি বলেন, নামাজের পূর্বে যে ব্যক্তি জবেহ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি জবেহ করতে হবে এবং যে জবেহ করেনি, আল্লাহর নামে তার জবেহ করা উচিত। (বুখারি, হাদিস : ৯৮৫)

তবে যদি এমন কোন প্রত্যন্ত গ্রাম হয় যেখানে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয় না  বা এমন কোনো এলাকা হয় যে এলাকায় ঈদের নামাজ পড়া বৈধ নয় এমন এলাকায় ঈদের দিন ফজরের পর থেকেই কোরবানি করা যাবে।

হানাফি মাযহাব মতে, কোরবানির সময় মূলত ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায়। তবে যেসব শহর বা বড় গ্রামে জুমার নামাজ ও ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার শর্ত বিদ্যমান থাকে, সেখানে ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা বৈধ নয়। আর যেসব ছোট গ্রামে বা জনপদে ঈদের নামাজ পড়ার আইনি বা শারীয় বাধ্যবাধকতা নেই কিংবা যেখানে ঈদের জামাত হয় না, সেখানে ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক হওয়ার পরপরই কোরবানি করা যাবে। এক্ষেত্রে ঈদের নামাজের জন্য অপেক্ষা করা জরুরি নয়।মূলত শহর বা বড় জনপদে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চল বা ছোট গ্রাম যেখানে ঈদের জামাত হয় না, সেখানকার বাসিন্দারা ভোরের আলো ফোটার পর থেকেই কোরবানি সম্পন্ন করতে পারবেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়