শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৩৮ সকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত

মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম

ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত

ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত
মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম
ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত
ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়