শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ প্রতিষ্ঠানে ৪ দিনের কর্মসপ্তাহ, মিলল ইতিবাচক ফল

অস্ট্রেলিয়ার ১৫টি প্রতিষ্ঠান ৪ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করে ইতিবাচক ফল পেয়েছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টিই পরীক্ষামূলক সময় শেষে এই ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনো প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার অভিযোগ করেনি।

উৎপাদনশীলতায় পড়েনি নেতিবাচক প্রভাব

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস কমিউনিকেশনস-এ। এতে ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো ‘১০০: ৮০: ১০০’ মডেল অনুসরণ করে। অর্থাৎ কর্মীরা আগের মতোই শতভাগ বেতন পান, কিন্তু কাজ করেন আগের সময়ের ৮০ শতাংশ। এর বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশা করে আগের সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা।

গবেষকেরা জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় একটি অংশ চার দিনের কর্মসপ্তাহে যাওয়ার মূল কারণ হিসেবে কর্মীদের মানসিক চাপ ও বার্নআউট কমানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে। ১৫টির মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠান জানায়, কর্মীদের সুস্থতা ও কাজ—জীবনের ভারসাম্য নিশ্চিত করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।

কর্মীদের বার্নআউট কমানো ছিল মূল লক্ষ্য

অস্ট্রেলিয়ার মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থা বিয়ন্ড ব্লুর ২০২৫ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রতি দুজন কর্মীর একজন বার্নআউটের ঝুঁকিতে আছেন। তরুণ কর্মী ও অভিভাবকদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি।

গবেষণায় অংশ নেওয়া এক স্বাস্থ্য প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, কর্মীদের অতিরিক্ত ছুটি নেওয়া, অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিতি ও মানসিক ক্লান্তি কমানোই ছিল তাদের সাফল্যের প্রধান সূচক।

ছোট ও মাঝারি—উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানেই মিলেছে ইতিবাচক ফল

গবেষণায় দেখা যায়, অংশ নেওয়া ছয়টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদনশীলতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, উৎপাদনশীলতা অন্তত আগের মতোই রয়েছে। উৎপাদনশীলতা মূল্যায়নে প্রতিষ্ঠানগুলো রাজস্ব, মুনাফা, সময়মতো প্রকল্প সম্পন্ন করা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির মতো সূচক ব্যবহার করেছে।

তবে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন, এই গবেষণার পরিধি এখনো ছোট। কারণ, অস্ট্রেলিয়ায় চার দিনের কর্মসপ্তাহের এই মডেল এখনো তুলনামূলক নতুন। এ ছাড়া যাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাঁদের অনেকেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, ফলে মতামতে কিছুটা পক্ষপাত থাকার আশঙ্কাও রয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য কনভারসেশন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়