শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৬, ০১:১৯ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের অংশ ওদের কেন দিতে হবে? তাড়াতাড়ি পালাও: শুভেন্দু অধিকারী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাকিমপুর সীমান্তে কয়েকশো মানুষের ভিড় জমেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন ঘোষণার পর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। নিজ দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর থানার অন্তর্গত বিঠারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাকিমপুর চেকপয়েন্টে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

সীমান্তে মানুষের ভিড় বাড়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের অংশ ওদের কেন দিতে হবে?’

এদিন কল্যাণীতে প্রশাসনিক সভায় যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখানেই তিনি বলেন, ‘হাকিমপুরের ব্যাপারটা আমি টিভিতে দেখলাম। আমি শুধু একটাই কথা বলব, “তাড়াতাড়ি পালাও। তাড়াতাড়ি পালাও”।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব আমরা?’

শুভেন্দু বলেন, ‘এইটা তো আইন রয়েছে। কোনও নতুন আইন নয়। এই সব লোকদের চলে যাওয়াই ভালো। আর বাংলাদেশি নাগরিকদের নেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে ওদের সরকার। আমরা পুলিশকে বলে দিয়েছি, জেলে পাঠাতে হবে না। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে তুলে দেবে। দেশের পয়সায় খাবে, ওষুধ দেওয়া হবে, জামা কাপড় পরবে— কেন? জামাই নাকি! জলদি জলদি ভাগো।’

এর আগে গত রোববার শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দেন— রাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা ‘আটক শিবির’ চালু করা হবে। সোমবারের মধ্যে রাজ্যের জেলায় জেলায় চালু হয় হোল্ডিং সেন্টার। সোমবারই ১২ জন বাংলাদেশীকে হোল্ডিং সেন্টারে আটক করা হয়। এরপর থেকেই নিজ দেশে ফিরতে ভারতীয় সীমান্তে আসতে শুরু করেছে মানুষ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়