শিরোনাম
◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা 

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সমুদ্রের নিচে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক এআই ডেটা সেন্টার চালু করলো চীন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে চীন নিয়েছে অভিনব উদ্যোগ। সমুদ্রের নিচে তৈরি করছে ডেটা সেন্টার।

শাংহাইয়ের উপকূলে লিংকাং বিশেষায়িত অঞ্চলের কাছে নতুন একটি অফশোর প্লাটফর্মে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু হয়েছে, যা সরাসরি সমুদ্রের বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছে।

প্রায় ১৬০ কোটি ইউয়ান বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বাড়তে থাকা বিদ্যুতের বিপুল পরিমাণ চাহিদার যোগান দেওয়া।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার দ্বিগুণ বাড়বে, যার প্রধান চালিকাশক্তি হবে এআই।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ মিটার নিচে স্থাপন করা চীনের এই ডেটা সেন্টারে চারটি স্তরে ১৯২টি সার্ভার র‌্যাক আছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে এর বিদ্যুৎ ব্যবহার ২.৩ মেগাওয়াট। পুরো প্রকল্প চালু হলে তা ২৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে।

স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের চেয়ে এর বড় সুবিধা হলো শীতলীকরণ ব্যবস্থা। সাধারণ ডেটা সেন্টারে বিদ্যুতের প্রায় ৪০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখতেই ব্যয় হয়। সমুদ্রের নিচে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় শীতলীকরণে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশ হয়।

ডেটা সেন্টারটি আবার নিকটবর্তী ২০০ মেগাওয়াটের একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ৫০টির বেশি টারবাইন রয়েছে। কেন্দ্রটির ৯৫ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ আসছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

প্রকল্পটি পূর্ণমাত্রায় চালু হলে বছর প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে।

তবে সমুদ্রের প্রবল ঢেউ ও তলদেশের পলি জমার মতো কঠিন পরিবেশে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে চীনা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়েছে। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে ছয় মাস।

সূত্র: সিএমজি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়