শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০১:২১ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাইরাল সেই ভিডিওতে ট্রাম্প কি সত্যিই চীনা প্রেসিডেন্টের নোটবুকে উঁকি দিয়েছিলেন?

বেইজিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ সম্মেলনের একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং–এর আসনের সামনে রাখা একটি ফোল্ডার বা নোটবুকের দিকে ঝুঁকে তাকাতে দেখা যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা ট্রল, মিম ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ট্রাম্পের চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে বেইজিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিক এই বৈঠকের কয়েক সেকেন্ডের একটি দৃশ্য দ্রুতই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কূটনৈতিক বৈঠকে ছোট ছোট অঙ্গভঙ্গিও অনেক সময় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। যদিও সম্মেলনের মূল আলোচনায় ছিল বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও দুই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্পর্ক, তবু ভাইরাল ভিডিওটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি মনোযোগ পায়।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক ব্যবহারকারী দাবি করেন, ট্রাম্প নাকি শি জিনপিংয়ের ব্যক্তিগত নোট দেখার চেষ্টা করছিলেন। কেউ ব্যঙ্গ করে লেখেন, ‘ট্রাম্প হঠাৎ ম্যান্ডারিন ভাষা শিখে ফেলেছেন।’ আবার কেউ মন্তব্য করেন, ‘ইংরেজিতে কিছু লেখা থাকলে ট্রাম্প হয়তো বলতেন, শি তাকে খুব পছন্দ করেন।’

আরেকটি পোস্টে ভিডিওটিকে ‘ভিডিও অব দ্য ডে’ বলা হয়। কিছু ব্যবহারকারী ট্রাম্পের আচরণকে অসম্মানজনক বলেও মন্তব্য করেন।

তবে পরে অনেকেই ভিডিওটির ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ক্লিপটি সম্পাদনা করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কয়েকজন ব্যবহারকারী জানান, পুরো ভিডিওতে দেখা যায় ফোল্ডারটি আসলে ট্রাম্পের নিজের আসনেই রাখা ছিল।

মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক–এর ফ্যাক্ট চেকে বলা হয়, ভিডিওর একটি অংশে ট্রাম্পকে টেবিলে থাকা ফোল্ডারের দিকে তাকাতে দেখা গেলেও পরবর্তী ফুটেজে স্পষ্ট হয়, সেটি তার নিজের ফোল্ডার ছিল। পরে তিনি সেটি হাতে নিয়েই বক্তব্য দিতে যান।

ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান আইভেরিফাই পাকিস্তান–এর তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, ভাইরাল দাবিটি বিভ্রান্তিকর। ফোল্ডারটির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক সিল থাকায় সেটি ট্রাম্পেরই ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

ফলে অনেকে মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্ষিপ্ত ভিডিওটি প্রসঙ্গের বাইরে কেটে প্রচার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়