শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২৬, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬৭ পয়সা কেজি দরে বিক্রি: ক্ষোভে নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিলেন যুবক

চাকরি ছেড়ে কৃষিতে ফিরেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার যুবক। স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে ফসল ফলিয়ে ভাগ্য বদলাবেন। কিন্তু সেই ফসলের দাম জুটলো কেজিতে মাত্র ৬৭ পয়সা। শ্রমের দামটুকুও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুরের এক কৃষক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

সোলাপুরের মোহল তহসিলের বেগমপুর গ্রামের বাসিন্দা লাখান মানে ২০১৬ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেন। বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে বেছে নিয়েছিলেন চাষাবাদ। এবার দুই একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তিনি। সোলাপুরের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে মাত্র ৫০ পয়সা দেখে একটু বেশি দামের আশায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কোলহাপুর কৃষি পণ্য বিপণন কমিটিতে (এপিএমসি) গিয়েছিলেন লাখান।

লাখান জানান, গত ৮ মে তিনি ১০০ বস্তা পেঁয়াজ নিয়ে কোলহাপুরে যান। কিন্তু সেখান থেকে মোট ৩ হাজার ৭০০ টাকা হাতে পান তিনি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় মাত্র ৬৭ পয়সা। লাখান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘সোলাপুর বাজারে দাম কম দেখে অনেক আশা নিয়ে কোলহাপুর গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে হতাশ হয়ে নিজের জমির বাকি সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিয়েছি।’

লাখানের মতো একই দশা বার্শির আরেক কৃষকের। তিনি ২৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কোলহাপুরে এসে প্রতি কেজিতে মাত্র ১ রুপি দাম পেয়েছেন। কোলহাপুর এপিএমসির পেঁয়াজ বিভাগের প্রধান মনোজ সালুঙ্খে জানান, ওই কৃষকের পেঁয়াজ নিম্নমানের ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় কোনও ব্যবসায়ী তা কিনতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত কৃষক অনুরোধ করায় কেজি প্রতি ১ রুপি দরে কেনা হয়েছে, যা মূলত আবর্জনার ঝুড়িতেই যাবে।

মনোজ সালুঙ্খে বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজের দামও কেজি প্রতি ১২-১৩ রুপির ওপরে উঠছে না। যুদ্ধ ও অন্যান্য কারণে রফতানিতে বিধিনিষেধ থাকায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ অনেক বেড়ে গেছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকে, কিন্তু এবার ব্যবসায়ীরা কোনও অর্ডার দিচ্ছেন না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়