শিরোনাম
◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো 

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সিঙ্গাপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর বেত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

সিঙ্গাপুরে স্কুল শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও বুলিং নিয়ন্ত্রণে নতুন এক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ডেসমন্ড লি জানিয়েছেন, বিশেষ কিছু গুরুতর পরিস্থিতিতে অবাধ্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে সীমিতভাবে বেত ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।

তিনি বলেন, সব ধরনের শাস্তির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। শুধুমাত্র যখন অন্য কোনো শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা কার্যকর না হয় এবং অপরাধ গুরুতর হয়, তখনই বেত ব্যবহার করা হবে। বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা চলাকালে তিনি এসব কথা জানান।

গত ১৫ এপ্রিল সিঙ্গাপুর সরকার স্কুলে বুলিং প্রতিরোধে নতুন কিছু উদ্যোগ ঘোষণা করেছিল। এরপর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সাল থেকে নতুন এই নিয়ম দেশের সব স্কুলে কার্যকর করা হবে। তবে এর জন্য কঠোর প্রটোকল থাকবে—প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া শাস্তি দেওয়া যাবে না এবং নির্দিষ্ট প্রশিক্ষিত শিক্ষকই এটি প্রয়োগ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, শাস্তির আগে শিক্ষার্থীর মানসিক পরিপক্বতা এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করা হবে, যাতে এটি শিক্ষার উদ্দেশ্য পূরণে সহায়ক হয়। সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বাড়াতে এবং বুলিং কমাতে সাহায্য করবে।

তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দীর্ঘদিন ধরেই স্কুলে শারীরিক শাস্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের শাস্তি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এর কোনো ইতিবাচক ফল নেই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়