শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছবি তুলতে গিয়ে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ

ঘটনাটি ঘটেছে ২০২১ সালে। সে সময় মাঝ-আকাশে দক্ষিণ কোরিয়ার দুটি যুদ্ধবিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। তদন্তে কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, এই সংঘর্ষের কারণ ছিল- বিমানের পাইলটরা ওই সময় ছবি তুলছিলেন ও ভিডিও ধারণ করছিলেন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সিউলের অডিট ও পরিদর্শন বোর্ডের মতে, ঘটনাটি ঘটেছিল যখন বিমান দুটি মধ্য কোরিয়ার দেগু শহরে একটি ফ্লাইট মিশনে ছিল। পাইলটরা অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যান, কিন্তু সংঘর্ষে বিমান দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এগুলো মেরামতের জন্য সামরিক বাহিনীর ৮৮০ মিলিয়ন ওন (৫ লাখ ৯৬ হাজার মার্কিন ডলার) খরচ হয়।

পাইলটদের মধ্যে একজন পরবর্তীতে সামরিক বাহিনী ছেড়ে দেন। তাকে ৮৮ মিলিয়ন ওন (দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা) জরিমানা করা হয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমান সংঘর্ষের কারণ ছিল, ওই পাইলট তার সামরিক ইউনিটের সাথে শেষ ফ্লাইটটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ছবি তুলতে চেয়েছিলেন।

বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অডিট বোর্ড বলেছে, গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইটের ছবি তোলা ‘সেই সময়ে পাইলটদের মধ্যে একটি বহুল প্রচলিত অভ্যাস ছিল।’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইলট ফ্লাইটের আগে একটি ব্রিফিংয়ে এমনটি করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। মিশন চলাকালীন অগ্রগামী বিমানটিকে অনুসরণ করছিলেন তিনি। ঘাঁটিতে ফেরার পথে তিনি তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুলতে শুরু করেন। এই বিষয়টি লক্ষ্য করে, অগ্রগামী বিমানটির পাইলট তখন তার বিমানের অন্য একজন পাইলটকে উইংম্যান বিমানটির একটি ভিডিও ধারণ করতে বলেন।

এরপর উইংম্যান পাইলট হঠাৎ করে তার জেট বিমানটিকে আরও উঁচুতে উড়িয়ে দেন এবং উল্টে দেন, যাতে এটি ক্যামেরায় আরও ভালোভাবে ধারণ করা যায়। এই কৌশলের ফলে বিমান দুটি একে অপরের খুব কাছাকাছি চলে আসে। সংঘর্ষ এড়াতে, অগ্রগামী বিমানটি দ্রুত নিচে নামার চেষ্টা করে। কিন্তু অবশেষে দুটি এফ-১৫কে জেটের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে অগ্রগামী বিমানটির বাম ডানা এবং উইংম্যান বিমানটির লেজের স্ট্যাবিলাইজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূত্র: বিবিসি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়