শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জেন-জিরা ডেটিংয়ের জন্য কেন কবরস্থান বেছে নিচ্ছে

ডেটিং মানেই একসময় ছিল কফিশপ, নরম আলো, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আর দীর্ঘ আলাপ। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে প্রেমের ভাষাও। এই বাস্তবতায় হঠাৎ করেই নতুন এক ট্রেন্ড নজর কাড়ছে, ডেটিংয়ের জন্য কবরস্থানকে বেছে নিচ্ছে জেন-জিরা। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এর পেছনে রয়েছে বেশ কিছু বাস্তব ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই এমনটাই জানিয়েছে ইন্ডিয়া টাইমস।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে বা পার্ক; সব জায়গাই এখন ভিড়ে ঠাসা, শব্দে ভরা এবং অনেক সময় অস্বস্তিকর নজরে পরিপূর্ণ। সেখানে নিজেকে স্বাভাবিক রাখা বা খোলামেলা কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে কবরস্থান দেয় একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা। এখানে নেই কোনো হৈচৈ, নেই কারও নজরদারি, নেই নিজেকে প্রমাণ করার চাপ। আছে শুধু দু’জন মানুষ আর এক ধরনের শান্ত পরিবেশ, যা স্বাভাবিকভাবেই গভীর ও সৎ কথোপকথনের সুযোগ করে দেয়।

কেন এই ‘ভাইব’ কাজ করে?

ইতিহাস, নীরবতা আর মৃত্যুর স্মৃতি; এই তিনের সংমিশ্রণে তৈরি হয় এক অদ্ভুত স্থিরতা। এই পরিবেশে সাধারণ ‘ছোটখাটো’ কথাবার্তা যেন জায়গা পায় না। বরং মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জীবনের গভীর বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করে। অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন কাপুর এবং সন্স-এর সেই দৃশ্য, যেখানে আলিয়া বাট এবং সিদ্ধার্থ কবরস্থানে সময় কাটান; ঠিক তেমনই এক আবহের কথা বলছেন অনেকে।

এর সঙ্গে যোগ হয় নান্দনিকতা, পুরোনো পাথরের সমাধি, গাছপালার ছায়া, আর এক ধরনের নীরব বিষণ্নতা; সব মিলিয়ে জায়গাটি হয়ে ওঠে একেবারে সিনেমাটিক। যেন কোনো চেষ্টাই ছাড়াই তৈরি হয় ‘মেইন ক্যারেক্টার’ অনুভূতি।

প্রাইভেসিই এখন বিলাসিতা

বর্তমান সময়ে তরুণদের জন্য একান্ত সময় পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। জনাকীর্ণ জায়গা, অনাকাঙ্ক্ষিত নজর কিংবা সামাজিক বিচার; সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলোও হয়ে যায় অস্বস্তিকর। এই জায়গায় কবরস্থান এক অদ্ভুত ভারসাম্য তৈরি করে। এটি সবার জন্য খোলা, কিন্তু খুব কম মানুষই সেখানে যায়। ফলে এটি হয়ে উঠছে এমন একটি জায়গা, যেখানে যুগলরা নির্ভারভাবে নিজেদের মতো সময় কাটাতে পারেন।

রোমান্স, তবে একটু ভিন্নভাবে

এই ট্রেন্ড শুধু ডেটিংয়ের জায়গা বদলানো নয়, বরং ঘনিষ্ঠতার সংজ্ঞাও নতুন করে ভাবার একটি প্রয়াস। জীবন, মৃত্যু আর অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও গভীর ও বাস্তব হয়ে ওঠে।

শুনতে কিছুটা অদ্ভুত, এমনকি খানিকটা ভৌতিকও লাগতে পারে। কিন্তু হয়তো সেটাই আসল বিষয়। এক পৃথিবীতে যেখানে চারপাশে শুধু শব্দ আর ব্যস্ততা, সেখানে নীরবতাকে বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়