শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয়, অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের! (ভিডিও)

তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই ভারতের কেন্দ্র সরকারকে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রশ্ন বিদ্ধ করছেন। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতা থেকে তা প্রকাশ করার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করে যথেষ্ট আক্রমণাত্মক বক্তব্য পেশ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ- শাহ’র ভাষণ থেকে স্পষ্ট যে, বাংলার পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আর তাতেই তীব্র আপত্তি রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের। শুক্রবার বিকালে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার সরাসরি প্রশ্ন ছিল, ‘শেখ হাসিনা দিল্লিতে কী করছেন? কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে?’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি কেবল দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে নয়, বরং এর পেছনে গভীর কোনো অর্থনৈতিক সমীকরণ থাকতে পারে। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন যে, ভারতের কোনো নির্দিষ্ট শিল্পগোষ্ঠী বা আদানি-আম্বানির মতো বড় কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করতেই কি মোদি সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে? তার দাবি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের এ হস্তক্ষেপ বা হাসিনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার পেছনে আসলে কর্পোরেট স্বার্থ লুকিয়ে আছে।

তৃণমূল নেতার এই আক্রমণের পটভূমি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে আসেন। ভারত সরকার মানবিক কারণে তাকে সাময়িক আশ্রয় দেওয়ার কথা জানালেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে দেশের অভ্যন্তরেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এ সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে মোদী সরকারের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকায় বিদেশি নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়ার চেয়ে দেশের বেকারত্ব বা মূল্যবৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি ছিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন , বিজেপি সরকার আসলে জনস্বার্থের চেয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি বন্ধুদের ব্যবসায়িক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেশি আগ্রহী। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত বা অন্যান্য বড় প্রকল্পে ভারতের যে শিল্পগোষ্ঠীগুলোর বিনিয়োগ রয়েছে, হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে বা ভারত থেকে কলকাঠি না নাড়লে সেই বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে— এমন একটি ধারণা থেকেই হাসিনাকে দিল্লিতে রাখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অভিষেকের এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক আক্রমণ নয়, বরং এটি ভারতের বৈদেশিক নীতি ও দেশের বড় পুঁজিপতিদের মধ্যকার যোগসূত্র নিয়ে এক বড়সড় বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়