শিরোনাম
◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১০ সকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিল যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানকে ব্যবহার করার অভিযোগ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ কারণেই ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি করাতে পাকিস্তানকে চাপ দেয় ওয়াশিংটন। 

ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামাবাদের ওপর চাপ দিচ্ছিল, যেন তারা ইরানকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করায় এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুবিধাজনকমাধ্যম হিসাবে কাজ করেছে ইসলামাবাদ। এমন সময় এই উদ্যোগ নেওয়া হয় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়াচ্ছিলেন। 

একই সঙ্গে দাবি করছিলেন, তেহরান নাকি ‘যুদ্ধবিরতির জন্য প্রার্থনা করছে’। অথচ, এই প্রতিবেদন বলছে, ইরান নয়, মরিয়া হয়ে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘একটি মুসলিমপ্রধান প্রতিবেশী দেশ ও মধ্যস্থতাকারী হিসাবে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা।’ 

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাপ্রধান ফিল্ড মার্শালের নেতৃত্বে গোপন যোগাযোগের এই প্রচেষ্টা মঙ্গলবার রাতে একটি পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ বিষয়টি এমন একসময়ে সামনে আসে, যখন ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলে, ইরান তার শর্ত না মানলে তাদের ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।

কিন্তু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প মূলত বাড়তে থাকা তেলের দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং ইরানি শাসনব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতায় বিস্মিত হন। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ২১ মার্চ যখন তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘ধ্বংস করে দেওয়ার’ হুমকি দেন, তখন থেকেই তিনি একটি যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন। ট্রাম্প যখন প্রথমবার হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দেন, তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নেপথ্যে জোর তৎপরতা শুরু হয়। 

আসিম মুনির ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউজের বার্তা আদান-প্রদান করছিলেন। ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের ধারণা ছিল, যদি কোনো মুসলিমপ্রধান প্রতিবেশী দেশ এই প্রস্তাব দেয়, তাহলে ইরান সেটি গ্রহণে বেশি আগ্রহী হবে। বিশেষ করে এমন একটি দেশ, যা পুরো সংঘাতজুড়ে নিজেকে নিরপেক্ষ হিসাবে তুলে ধরেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়