শিরোনাম
◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০৮ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি সংকটে ফিলিপাইনে তিন শতাধিক পেট্রোল পাম্প বন্ধ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ফিলিপাইন জুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং এর ফলে দেশটির তিন শতাধিক পেট্রোল স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। 

সরকারি পর্যবেক্ষক দল সোমবার (৩০ মার্চ) জানিয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপের কারণে অনেক স্টেশনে এখন আর কোনো জ্বালানি অবশিষ্ট নেই। 

ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ৩৬৫টি ফিলিপিনো পেট্রোল স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব ফিলিপাইনের অভ্যন্তরীণ বাজারে পড়তে শুরু করে, যা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

চলমান এই সংকটের ফলে ফিলিপাইনের সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে এবং যাতায়াত খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বর্তমানে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং সরবরাহকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত তেল না আসায় এই অভাব দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প মালিক লোকসান এড়াতে এবং পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় সাময়িকভাবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন। পুলিশ ও প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে যাতে এই সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইনের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়া চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সংকেত। দেশটির পরিবহন খাত ইতিমধ্যেই এই উচ্চমূল্যের কারণে স্থবির হয়ে পড়ছে এবং অনেক চালক তাদের যানবাহন চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন। 

সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালালেও বিশ্বব্যাপী তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে তা যথেষ্ট হচ্ছে না। আপাতত ৩ শতাধিক স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়াকে একটি বড় ধরনের সংকটের শুরু হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা, যা অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়