শিরোনাম
◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা!

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৩৭ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তারা পাশে না থাকলে আমরাও থাকব না : ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

ইউরোপীয় মিত্রদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সামরিক জোট ন্যাটোর পাশে থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ইস্যুতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো সহায়তা না করায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্লোরিডার মিয়ামিতে আয়োজিত এক বিনিয়োগ ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প সরাসরি জানান, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যদি বিপদে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না থাকে, তবে ওয়াশিংটনেরও তাদের পাশে থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওয়াশিংটন ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা করেনি। হামলার পর ন্যাটোর অনেক সদস্য দেশ এই সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে। মিত্রদের এমন ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকতাম। কিন্তু এখন তাদের কার্যকলাপের ভিত্তিতে আমার মনে হয়, আমাদের তাদের পাশে থাকার প্রয়োজন নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি তারা আমাদের পাশে না থাকে, তবে আমরা কেন তাদের পাশে থাকব? তারা আমাদের পাশে ছিল না।’

উল্লেখ্য, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই যুদ্ধ প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলছে। ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের এই নিষ্ক্রিয়তা বা বিরোধিতা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে আগে থেকেই অস্বস্তি ছিল, যা এখন খোদ প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেল। ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ন্যাটোর ভবিষ্যৎ এবং আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়