শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৫৭ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্ষমা চেয়েও পদত্যাগের চাপে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু বিপদ বাড়ছে যুক্তরাজ্যে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগ করতে তার দলের এমপিরাই চাপ দিচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির এক এমপি জানিয়েছেন, স্টারমারকে হয়তো বিদায় নিতে হবে। অথচ যে যুক্তরাষ্ট্রে কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ঘটেছে সেই দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এপস্টাইন অধ্যায় ছেড়ে আমেরিকার এগিয়ে যাওয়া উচিত।

যে কারণে চাপের মুখে স্টারমার: 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। স্টারমার নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি কুখ্যাত যৌন অপরাধী হিসেবে পরিচিত জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। তবে এতটা গভীর ছিল সেই সম্পর্কে জানতেন না। 

উল্লেখ্য, এপস্টাইন কারাগারে মারা যান ২০১৯ সালে। ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন স্টারমার। বৃহস্পতিবার এক ভাষণে এপস্টাইনের শিকার যারা হয়েছেন তাদের কাছে ক্ষমা চান তিনি। 

সিএনএন বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টাইনের সম্পর্ক ছিল। তবে সেটা কতটা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কিন্তু তিনি কোনো চাপের মুখে তথা তদন্তের মুখে পড়েননি। কিন্তু এপস্টাইনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও স্টারমারকে বিদায় নেওয়া লাগতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়েলসের এক লেবার এমপি বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্টারমারকে বিদায় নিতে হবে। বুধবার কমন্সে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে স্টারমার বলেন, লর্ড ম্যান্ডেলসন দোষী সাব্যস্ত শিশু যৌনকর্মী এপস্টাইনের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের পরিমাণ সম্পর্কে বারবার তাকে মিথ্যা বলেছিলেন।

চাপের মুখে যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে যে, তারা লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য প্রকাশ করবে। সংবেদনশীল নথিগুলো একটি দুই দলের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার সম্ভবত কমিটিতে নেতৃত্ব দিতে পারেন। অ্যাঞ্জেলা রেনার সম্ভবত বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আরেক জন নাম প্রকাশ না করে ওয়েলশ লেবার এমপি বিবিসিকে বলেন, এটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি। 

তিনি আরো বলেন যে, স্যার কিয়ারের থাকা উচিত। কিন্তু তার প্রধান কর্মী মরগান ম্যাকসুইনিকে বরখাস্ত করা উচিত। কারণ অভিযোগ আছে যে ম্যাকসুইন স্টারমারকে খারাপ পরামর্শ দিয়েছেন।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়