শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৫৯ দুপুর
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেষ হলো মায়ানমারের নির্বাচন, বড় জয়ের পথে সেনাসমর্থিত দল

মায়ানমারে এক মাসব্যাপী নির্বাচন রবিবার শেষ হয়েছে। সামরিক জান্তা পরিচালিত এই ভোটে সেনাবাহিনীপন্থী প্রভাবশালী দলটি বিপুল বিজয়ের পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচন কেবল সেনাবাহিনীর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার সময়কালই দীর্ঘ করবে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির ইতিহাসে সামরিক শাসনের দীর্ঘ অধ্যায় রয়েছে।

তবে এক দশক ধরে বেসামরিক নেতৃত্বাধীন সংস্কারের সময়কালে সেনাবাহিনী কিছুটা পেছনে সরে গিয়েছিল।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সে অধ্যায়ের অবসান ঘটে। তখন গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চিকে আটক করা হয়, দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং মায়ানমার গভীর মানবিক সংকটে পতিত হয়।

নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ ধাপটি সারা দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

এই পর্বটি অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পূর্তির মাত্র এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হলো।

সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তবে সু চি রাজনীতি থেকে কার্যত বাদ পড়া এবং তার অত্যন্ত জনপ্রিয় দল বিলুপ্ত থাকায় গণতন্ত্রপন্থীরা বলছেন, এই ভোট সেনাবাহিনীর মিত্রদের পক্ষেই সাজানো।

জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং বেসামরিক পোশাকে মান্দালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এএফপির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটাই জনগণের বেছে নেওয়া পথ। মায়ানমারের মানুষ যাকে সমর্থন করতে চায়, তাকে সমর্থন করতে পারে।’

বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ভোটগ্রহণ হয়নি। আর জান্তা-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোটের আগে সময়টিতে জোরজবরদস্তি ও ভিন্নমত দমনের ঘটনা ঘটেছে বলে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন।

মান্দালয়ের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোরের দিকে ভোট দেন শিক্ষক জাও কো কো মিন্ট।

৫৩ বছর বয়সী এই ভোটার এএফপিকে বলেন, ‘খুব বেশি প্রত্যাশা না থাকলেও আমরা একটি ভালো দেশ দেখতে চাই। ভোট দেওয়ার পর মনে হচ্ছে দায়িত্ব পালন করেছি—এতে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করছে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়