শিরোনাম
◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৫৯ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টিতে ৬১ জনের মৃত্যু

আফগানিস্তানে টানা তিন দিনের তুষারপাত ও ভারি বৃষ্টিতে অন্তত ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির।

আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) প্রকাশিত তথ্য মতে, গত বুধবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুক্রবারের (২৪ জানুয়ারি) মধ্যে দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে এসব প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া একাধিক প্রদেশে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে এএনডিএমএ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের প্রাথমিক হিসাবে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন এবং ৪৫৮টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।
 
এএনডিএমএর একজন মুখপাত্র জানান, এসব দুর্যোগে অন্তত ৩৬০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি তুষারাচ্ছন্ন সড়কে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত এড়িয়ে চলতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
 
 তিনি বলেন, অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বাড়ির ছাদ ধসে পড়া ও তুষারধসের কারণে। এ ছাড়া হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রার কারণে অনেক মানুষ মারা গেছেন। কর্তৃপক্ষ নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহ করছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 
 
দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কান্দাহারের জরুরি বিভাগ জানায়, গত বুধবার প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টির সময় একটি বাড়ির ছাদ ধসে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যান্য জেলার বিভিন্ন এলাকাতেও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
 
গত বছরের আগস্টের শেষের দিকে এবং এরপর নভেম্বরে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ভয়াবহ ভূমিকম্পেআঘাত হানে। যার ফলে গ্রামগুলো ধ্বংস হয় এবং ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়। এর ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয় তা এখনও পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করছে এই অঞ্চলের অধিবাসীরা।
 
 ভূমিকম্পে বাস্তুচ্যুতরা বিশেষ করে তীব্র ঠান্ডা এবং বিরূপ আবহাওয়ার জন্য এখনও ঝুঁকির মুখে রয়েছে। গত ডিসেম্বরে ইউনিসেফ জানায়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আনুমানিক ২ লাখ ৭০ হাজার শিশু ‘ঠান্ডাজনিত প্রাণঘাতী রোগের গুরুতর ঝুঁকিতে’ রয়েছে। 
 
বিদেশি সহায়তা না আসায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য মতে, বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ায় চলতি বছরে আফগানিস্তানে অন্তত দুই কোটি মানুষের মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়