শিরোনাম
◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:০৪ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা; ইউরোপ না ছাড়লে হতে পারে দীর্ঘ সময়ের জেল

ইউরোপে অভিবাসন নীতি কঠোর করতে নতুন প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলো। নতুন এ প্রস্তাবের উল্লেখযোগ্য দিক হলো- অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য ‘রিটার্ন হাব’ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বৈঠক করেন ইইউয়ের ২৭ দেশের প্রতিনিধিরা।

অভিবাসীদের ইউরোপে প্রবেশ ও ফেরত পাঠানোর নিয়ম আরও নিয়ন্ত্রিত করতে বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

নতুন প্রস্তাবে যা থাকছে

ইইউয়ের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপন: যাদের আশ্রয় আবেদন বাতিল হয়েছে তাদের এসব কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

কঠোর শাস্তি: ইউরোপ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে অভিবাসীদের দীর্ঘ সময় জেলে আটক রাখা যাবে।

তৃতীয় দেশে ফেরত পাঠানো: নিজ দেশ নয় বরং ইইউ যে দেশগুলোকে ‘নিরাপদ’ বলে মনে করে সেখানে অভিবাসীদের পাঠানো যাবে। নতুন আইন অনুযায়ী, কমপক্ষে ৩০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বণ্টন করতে হবে। দেশগুলো চাইলে শরণার্থী নেওয়ার পরিবর্তে প্রতি ব্যক্তির জন্য ২০ হাজার ইউরো সহায়তা দিতে পারবে।

২০২৫ সালে অবৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশকারীর সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমলেও অভিবাসন ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপ কমেনি।

এমন প্রস্তাবের পর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপের মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এনজিও ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এসব নীতি আরও বেশি মানুষকে বিপদে ফেলবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়