শিরোনাম
◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড়

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:২৩ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে চায়ের দোকানে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ১৮

মিয়ানমারের সায়াগিং অঞ্চলে একটি চায়ের দোকানে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাবায়িন শহরে এ হামলা চালানো হয়। জনাকীর্ণ ওই দোকানে তখন লোকজন টেলিভিশনে বক্সিং ম্যাচ দেখছিলেন।

২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এর পর থেকে গৃহযুদ্ধে টালমাটাল দেশটি। মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধী যোদ্ধাদের ওপর প্রায়ই বিমান হামলা চালায় সেনাবাহিনী। এসব হামলায় অনেক সময় বেসামরিক নাগরিকেরাও নিহত হন।

স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, চায়ের দোকানটিতে দুটি বোমা ফেলা হয়। এ ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন ও ২০ জন আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তার খাতিরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, চায়ের দোকানে অনেক ভিড় ছিল। এ কারণে নিহতের সংখ্যাও বেশি।

ঘটনাস্থলে হামলার ১৫ মিনিট পরে পৌঁছানো এক উদ্ধারকর্মী জানিয়েছেন, ৭ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান, বাকি ১১ জন পরে হাসপাতালে মারা যান।

চায়ের দোকানগুলো মিয়ানমারে সামাজিক আড্ডার জায়গা। ওই উদ্ধারকর্মী জানান, আশপাশের অন্তত কয়েক ডজন বাড়িও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

হামলায় বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি জানান, চায়ের দোকানটিতে বোমা পড়ার সময় তিনি টেলিভিশনে বক্সিং ম্যাচ দেখছিলেন।

বোমা পড়ার শব্দে বধির হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়েছিল উল্লেখ করে এই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি যুদ্ধবিমান ওড়ার শব্দ শোনামাত্র মাটিতে শুয়ে পড়ি। দেখলাম, আমার মাথার ওপরে বড় আগুনের কুণ্ডলী। ভাগ্যবান হওয়ায় এ ঘটনার পরেও আমি বাড়ি ফিরতে পেরেছি।’

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য এএফপি জান্তার মুখপাত্রকে ফোন দিলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, আজ শনিবার নিহত ব্যক্তিদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। হামলায় বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নিহত কয়েকজনের মুখ তোয়ালে দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই কষ্ট পাচ্ছি, কারণ তাঁদের কয়েকজন আমার খুব পরিচিত ছিলেন।’

মিয়ানমারে গত মে মাসে জান্তার বিমান হামলায় ২২ জন প্রাণ হারান, যাদের ২০ জনই ছিল শিশু। দেশটিতে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ঘোষিত কথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়