শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৩০ রাত
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোদিকে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতকে ‘নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ’ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপের মধ্যেও রুশ তেল কেনা বন্ধ না করায় ভারতের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিশ্রুতি এলো। এ খবর জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে পুতিন বলেন, ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির জন্য আমরা জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত। রাশিয়া তেল, গ্যাস, কয়লাসহ ভারতের জ্বালানি উন্নয়নের জন্য যা দরকার, তার নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পুতিনের প্রথম ভারত সফরে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা, গার্ড অব অনার ও ২১ তোপের সালামি দেওয়া হয়। মোদি পুতিনের প্রতি ‘অটল প্রতিশ্রুতি’র জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা ভারত-রাশিয়া অংশীদারত্বের শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তবে তেলের বিষয়ে সরাসরি উল্লেখ করেননি তিনি।

২০২৪ সালে রাশিয়া ভারতের মোট অশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৩৬ শতাংশ সরবরাহ করেছে। চাপের মুখে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত রুশ তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে।

বৈঠকে পুতিন মোদিকে ইউক্রেন পরিস্থিতি ও শান্তি প্রচেষ্টা সম্পর্কে ‘বিস্তারিত তথ্য’ দিয়েছেন বলে জানান। মোদি বলেন, ইউক্রেন নিয়ে ভারত সবসময় শান্তির পক্ষে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে; মহামারির আগের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ। তবে ভারতের রফতানি মাত্র ৪ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার। দুই নেতা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছেন। চাকরি, স্বাস্থ্য, শিপিং ও রাসায়নিক খাতে একাধিক চুক্তি সই হয়েছে।

প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বাণিজ্যই ছিল শীর্ষ বৈঠকের মূল বিষয়। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী, যদিও ২০১৯-২৩ সালে রুশ অস্ত্রের অংশ কমে ৩৬ শতাংশে নেমেছে। বৈঠকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ও পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাতে রাষ্ট্রীয় ভোজের পর পুতিন ভারত ত্যাগ করবেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়