শিরোনাম
◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০১:৫৭ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের সঙ্গে সামুদ্রিক পরিবহনে সহযোগিতায় আনুষ্ঠানিক রূপরেখার প্রস্তাব পাকিস্তানের

বাংলাদেশের সঙ্গে সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায় পাকিস্তান। আর এ উপলক্ষে পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশন (পিএনএসসি) ও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) এর মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছে দেশটি।  ডন

সম্প্রতি লন্ডনে বাংলাদেশের নৌ পরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে এক বৈঠকে সমুদ্র বিষয়ক মন্ত্রী মুহাম্মদ জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন। 

পাকিস্তানের প্রস্তাবে বলা হয়, যৌথ কন্টেইনার এবং বাল্ক শিপিং পরিষেবা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সমুদ্র পরিবহন উন্নয়নে সহযোগিতা, পারস্পরিক বন্দর-কল সুবিধা প্রদান এবং উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পৃক্ততা জোরদার করে একটি বিস্তৃত অংশীদারিত্বের কল্পনা করা হয়েছে।

আইএমও এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সমুদ্র পরিবহন-সম্পর্কিত বিষয়গুলির পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক সামুদ্রিক গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলক কাঠামো তৈরির পাকিস্তানের বৃহত্তর লক্ষ্যের উপর জোর দেয়া হয়।

জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রবাহকে সমর্থন করার জন্য পাকিস্তানের প্রস্তুতির প্রমাণ হিসেবে কেপিটির ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা, চলমান আধুনিকীকরণ উদ্যোগ এবং উন্নত টার্নঅ্যারাউন্ড সময় তুলে ধরেন। 

মন্ত্রী বলেন, বন্দর থেকে বন্দরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সরবরাহ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ কমাতে, আঞ্চলিক বাধা কমাতে এবং দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে বাণিজ্যিক একীকরণের নতুন পথ খুলে দিতে পারে। অনুবাদ: চ্যানেল২৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়