শিরোনাম
◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:৫২ সকাল
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিটেনে জন্মানো বাংলাদেশিদের নিয়ে বরিস জনসনের মন্তব্যে ক্ষোভ

ব্রিটেনে বসবাসরত দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলা‌দেশি বংশোদ্ভূতরা ইংরেজি বলতে পারে না মন্তব্য করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তার মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশি কমিউনিটির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা অবিলম্বে জনসনকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন।

দ্য টেলিগ্রাফ টিভি চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে জনসনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, আমার শাসনামলে দেখেছি, লন্ডনের কিছু অংশে বাংলাদেশি কমিউনিটির দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্ম ইংরেজিতে কথা বলত না। সেটা ছিল লজ্জাজনক।

তার এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বলেছেন, জনসনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা যুক্তরাজ্যেই জন্মগ্রহণ করেছে। তাই ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে যেসব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তারা পড়াশোনা করেছে, ইংরেজিই সেখানে শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম। ব্রিটিশ স্কুল ব্যবস্থায় পড়াশোনা করে আসা ব্যক্তি ইংরেজি বলতে পারে না, এমন ইঙ্গিত দেওয়াকে কমিউনিটির এক মুখপাত্র ‘ডাহা মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।

ইনস্টিটিউট ফর ফিসকাল স্টাডিজের তথ্য মতে, ১৫ বছর গণিত ও ইংরেজি জিসিএসই পাস করার ক্ষেত্রে ব্রিটিশদের চেয়ে ১০ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা। এখন তারা বরং পাঁচ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে আছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের শিক্ষাগত কৃতিত্বের বার্ষিক পুরস্কারের তথ্য এই বাস্তবতাকে তুলে ধরে। ২০০৬ সাল থেকে তারা প্রতি বছরই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অসাধারণ জিসিএসই এবং এ লেভেল ফলাফলের স্বীকৃতি দিচ্ছে।

জনসনের অসম্মানজনক মন্তব্যের ফলে কাউন্সিলর, সাংবাদিক এবং কমিউনিটির কর্মীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাংবা‌দিক রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী, ব‌্যা‌রিষ্টার মোঃ ইকবাল হো‌সেন, শিল্পী স্বাধীন খসরুসহ বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতারা বাংলা ট্রিবিউনকে শুক্রবার সকালে বলেন, বরিস জনসনের বাংলাদেশি কমিউনিটির কাছে দ্রুত ক্ষমা চাওয়া উচিত। তার মিথ্যা ও লজ্জাজনক মন্তব্য কেবল কয়েকজন মানুষকে অসম্মান করে না, এটি ব্রিটেনে বাংলা‌দেশিদের চার প্রজন্মের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষাগত অর্জন এবং ব্রিটিশ জীবনযাত্রার সঙ্গে বহু দশকের সংহতিকে অসম্মান করে।

তারা আরও বলেন, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এমন মিথ্যাচার ছড়ানো অগ্রহণযোগ্য। তিনি যেন তার মন্তব্য প্রত্যাহার করে নেন এবং তার বক্তব্যের কারণে কমিউনিটির মধ্যে সৃষ্ট গভীর আঘাতের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়