শিরোনাম
◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি?

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৮ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোনম ওয়াংচুকের আটক নিয়ে বিতর্ক, এনএসএর প্রয়োগে নিজেদের অবস্থান জানাল লাদাখ প্রশাসন

কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে সোনম ওয়াংচুকের আটককে  চ্যালেঞ্জ করে তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন।  মঙ্গলবার এর প্রত্যুত্তরে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চের সামনে দাখিল করা হলফনামায়  সমাজকর্মী ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (এনএসএ) ব্যবহারের পক্ষে যুক্তি দিয়েছে লাদাখ প্রশাসন।

লেহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া "বিশ্বস্ততার সাথে এবং কঠোরভাবে" অনুসরণ করা হয়েছে। দাখিল করা হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, ওয়াংচুকের কার্যকলাপ রাজ্যের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর ছিল এবং সমস্ত সাংবিধানিক রক্ষাকবচ  মেনেই আটকের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হলেও, ওয়াংচুকের পক্ষে সওয়াল করা সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিব্বল অন্য আদালতে ব্যস্ত থাকায় এটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। আদালত  বুধবার এটির শুনানির দিন  ধার্য্য করেছে। লেহর জেলাশাসক বলেছেন, ২৬শে সেপ্টেম্বর যখন সোনম ওয়াংচুককে আটক করা হয়েছিল, তখন তাকে জাতীয় নিরাপত্তা আইন, ১৯৮০ এর অধীনে তার আটক এবং রাজস্থানের যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের কথা উভয়ই স্পষ্টভাবে অবহিত করা হয়েছিল।

উল্লিখিত তথ্য লেহর পুলিশ স্টেশনের এসএইচওর মাধ্যমে তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমোকে তাৎক্ষণিকভাবে টেলিফোনে জানানো হয়েছিল, যা তিনি তার আবেদনে স্বীকার করেছেন। অতএব ১৯৮০ সালের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে আটকের আদেশ সম্পর্কে  অভিযুক্ত বা আবেদনকারীকে অবহিত না করার বিষয়ে সমস্ত আবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর বলে হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়