শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে ঐকমত্যহীন নেপাল, প্রেসিডেন্টের শান্তির আহ্বান

নেপালের রাজনৈতিক সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করছে বিক্ষোভকারীরা। তবে এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে এখনও ঐকমত্য তৈরি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার  প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, তিনি দেশের চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট পাওডেল বলেন, সম্মানিত নেপালি ভাই-বোনেরা, সংবিধানের সীমার ভেতরে থেকে গণতন্ত্র রক্ষা, শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্দোলনরত নাগরিকদের দাবি পূরণের পাশাপাশি সবাইকে সংযমের সঙ্গে শান্তি রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানাই।

ওলি সরকারের পতনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখে জেন-জি নামে পরিচিত তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিন জনের নাম প্রস্তাব করেছে। তারা হলেন দেশটির প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি, র‍্যাপার থেকে কাঠমান্ডুর মেয়র হওয়া বালেন্দ্র (বালেন) শাহ এবং বর্তমান আলোচনায় এগিয়ে থাকা সাবেক বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কুলমান ঘিসিং।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর আন্দোলনের সূচনা হয়। দ্রুতই এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে বেকারত্ব, দুর্নীতি ও রাজনীতিবিদদের সন্তানদের বিলাসী জীবনযাপনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে। যদিও পরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে উত্তপ্ত হয়। সরকারি স্থাপনা ও রাজনৈতিক নেতাদের বাসভবনে হামলার ঘটনাও ঘটে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নির্ধারণে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়