শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ রাত
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় জাল ই-ভিসা সিন্ডিকেটে জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশি নারী আটক

মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের জন্য জাল ইলেকট্রনিক ভিসা (ই-ভিসা) সেবা প্রদানকারী একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নারীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

রবিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাহাবান জানান, "কি মালয়েশিয়া" নামে পরিচালিত ওই ওয়েবসাইট সিন্ডিকেট ২০২২ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে এবং ইতোমধ্যে ৫২,৬৭২টি আবেদন প্রক্রিয়া করেছে। এ সময় তারা কোটি কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়।

অভিযানকালে ৩২ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারীকে আটক করা হয়, যিনি সামাজিক ভিজিট পাসে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। রেকর্ডে দেখা গেছে, তিনি গত তিন বছরে একাধিকবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন। তার মালয়েশিয়ান স্বামীকেও তদন্তে সহযোগিতার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, ভুয়া ওয়েবসাইটটি সরকারি ই-ভিসা পোর্টালের আদলে তৈরি করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের দুই ধরনের ভিসার প্রস্তাব দেওয়া হতো—সাধারণ ভিসা, যা তিন থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হতো, এবং জরুরি ভিসা, যার অনুমোদন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। তবে অর্থ পরিশোধের পর বেশিরভাগ আবেদন বাতিল দেখানো হতো এবং ব্যাখ্যা চাইলে লাইভ চ্যাটে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হতো।

আটক বাংলাদেশি নারীকে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনসের ৩৯(বি) ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে এবং বর্তমানে তাকে পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন সদর দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারণা শুধু জনগণের আস্থা নষ্ট করছে না, বরং বিভাগটির ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করছে। তিনি সতর্ক করে জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ইমিগ্রেশন বিভাগ ভবিষ্যতেও কঠোর আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়