শিরোনাম
◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০১:০৯ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজার আকাশে ড্রোনের ভোঁ ভোঁ শব্দকে গান বানালেন সংগীতশিক্ষক, দুঃসহ যন্ত্রণাকে রূপ দিলেন প্রতিবাদের ভাষায় (ভিডিও)

বিস্ফোরণ-গুলি-ড্রোনের শব্দকে শ্রুতিমধুর সংগীতে রূপান্তর করছেন গাজার শিল্পী আবু আমশা। ছবি: জাতিসংঘ

অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় আর পাখি গান গায় না, শিশুর হাসিতে মুখরিত হয় না চারপাশ। সারাক্ষণই উপত্যকার কোথাও না কোথাও বিস্ফোরিত হচ্ছে বোমা কিংবা কারও না কারও ওপর নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। সঙ্গে মাথার ওপর অনবরত ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোনের ভন ভন শব্দ মাথায় যন্ত্রণা ধরিয়ে দেয়। কিন্তু এই শব্দ থেকে পালানোর কোনো পথ নেই।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকেই গাজার আকাশে বিরতিহীনভাবে উড়ছে ইসরায়েলের শত শত কোয়াডকপ্টার। প্রথম প্রথম এই শব্দ আতঙ্ক তৈরি করলেও এখন এটি এক অসহ্য যন্ত্রণা আর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজার মানুষ এখন আর মরতে ভয় পায় না। কিন্তু অনবরত এই ভোঁ ভোঁ শব্দ আর সহ্য করতে পারছে না তারা। যেকোনো মূল্যে এই শব্দ থেকে মুক্তি চায় গাজাবাসী।

কাতারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইব্রাহীম আল খলিলি বলেন, ‘গাজায় যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে পালানোর কোনো পথ নেই। গাজার আকাশে অনবরত কোয়াডকপ্টারের উড়ে বেড়ানো শুধু নজরদারি নয়। এটা এক ধরনের মানসিক যুদ্ধ। বিরামহীন এই শব্দ ভেতর থেকে গাজার মানুষকে ভেঙে দিচ্ছে, অস্থির করে তুলছে।’

এবার সেই অসহ্যকর শব্দ থেকে বাঁচার অভিনব এক পন্থা আবিষ্কার করেছেন উপত্যকার এক গানের শিক্ষক। ড্রোনের এই ভোঁ ভোঁ শব্দকে তিনি পরিণত করেছেন শ্রুতিমধুর গানে। আবু আমশা নামের ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের যা নিয়ে বাঁচতে হয়, যার ভুক্তভোগী আমরা—তা থেকেই আসলে এই আইডিয়াটা আসে। শিশুরা আমাকে এসে যখন বলল যে এই শব্দে ওরা বিরক্ত, ক্লান্ত, তখন আমি বললাম, না আমাদের এই শব্দের সঙ্গেই গান গাইতে হবে। বাজে এই শব্দটাকেই আমরা ভালো কিছুতে রূপান্তর করব।’

তিনি জানান, ড্রোনের শব্দের সঙ্গে সুর মিলিয়ে গাওয়া বিভিন্ন গান তারা রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের নির্মম শব্দকে সুন্দর কিছুতে পরিণত করাটাই আসল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের।’

তিনি বলেন, এই গানগুলো শিল্প তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো হয়নি। বরং ইসরায়েল এবং পুরো বিশ্বকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে, গাজার মানুষের জীবন কেমন হবে তা নজরদারির জন্য তৈরি বিশ্রী শব্দ করা একটা যন্ত্র ঠিক করে দিতে পারে না। এটাও প্রতিবাদের একটা ভাষা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়