শিরোনাম
◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১২ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেসব খাবার কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে

কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে খাবারে থাকা অক্সালেট বড় ভূমিকা রাখে।

অক্সালেটসমৃদ্ধ যেসব খাবারে সতর্কতা দরকার

পালং শাক, বিট, বাদাম, চকোলেট, চা এবং সয়া পণ্যের মতো খাবারে অক্সালেটের পরিমাণ বেশি থাকে এবং অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে এগুলি মূত্রের মাধ্যমে অক্সালেট নির্গমন বাড়িয়ে দিতে পারে। মূত্রে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে গেলে তা ক্যালসিয়ামের সাথে সুপারস্যাচুরেশন এবং ক্রিস্টালাইজেশন বৃদ্ধি করে। 

তবে এসব খাবার সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে অক্সালেটের ক্ষতিকর প্রভাব কমে।

পাথর প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাস

কিডনি পাথর দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধের জন্য একটি বহুমুখী খাদ্যতালিকা প্রয়োজন, যার লক্ষ্য হলো মূত্রের গঠনকে সর্বোত্তম করা। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা, সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ এবং সোডিয়াম ও অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ সীমিত রাখা হলো প্রধান কৌশল।

ফল ও শাকসবজির মতো ক্ষার-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ মূত্রের pH বজায় রাখতে এবং সাইট্রেট নির্গমন বাড়াতে সাহায্য করে, যা উভয়ই পাথর গঠনকে বাধা দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের খাবার রাখতে হবে।

খাবারের সময় অক্সালেট-সমৃদ্ধ খাবারের সাথে ক্যালসিয়ামের উৎস মিশিয়ে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যেতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকীয় নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্থূলতা এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের সাথে পাথর গঠনের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়