শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিপাহ ভাইরাস কি ছড়িয়ে পড়বে, যা বললো ডব্লিউএইচও

ভারত ও বাংলাদেশে সম্প্রতি নিপাহ ভাইরাসে তিনজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হলেও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হওয়া নিপাহ ভাইরাসের কোনো টিকা নেই এবং এতে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসের তিনটি ঘটনা- দুটি ভারতে এবং একটি বাংলাদেশে- সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা তৈরি করেছে।’

তিনি জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ডব্লিউএইচও দেখেছে যে এর ঝুঁকি কম।
 
গত মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নিপাহ’র দুটি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশে গত সপ্তাহে একজন রোগী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। 
  
ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, দুটি প্রাদুর্ভাব পরস্পর সম্পর্কিত নয়। যদিও উভয় ঘটনাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে এবং একই ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি, সেখানে নিপাহ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হিসেবে পরিচিত ফলখেকো বাদুড়ের উপস্থিতিও আছে।

নিপাহ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮ সালে। সেসময় মালয়েশিয়ায় শূকর খামারিদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। ভারতে প্রথম নিপাহ প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গে রিপোর্ট করা হয়।
 
২০১৮ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে নিপাহ ভাইরাসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। একই রাজ্যে ২০২৩ সালেও এই ভাইরাসে দু’জনের মৃত্যু হয়।
 
নিপাহ সংক্রমণের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, বমি ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ। গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি ও মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত কোমায় পরিণত হতে পারে। সূত্র: দ্য ডন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়