শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:২৪ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডেঙ্গুতে মৃত্যু বাড়ছে: চলতি বছরে ১৭৯ জন নিহত, হাসপাতালে আসার মাত্র দু-তিন দিনের মধ্যে প্রাণহানি বেশি

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ জনের। মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দু-তিন দিনের মধ্যে মারা গেছেন।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর বলেন, চলতি বছর ২০-৩০ বছর বয়সি রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এসব রোগীর অনেকেই জ্বর শুরু হওয়ার ছয়-সাত দিন পর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং দু-তিন দিনের মধ্যেই মারা যান। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যেও মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, চলতি বছর আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হলেও মৃত্যুহার কম। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক রোগীই সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আসছেন, যা মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যারা মারা গেছেন, তাদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তির দু-তিন দিনের মধ্যেই মারা গেছেন।’

জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে ডা. আবু জাফর বলেন, জ্বর হলে দ্রুত ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো উচিত এবং অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।
 
তিনি বলেন, ‘যত ব্যবস্থাই নেয়া হোক না কেন, জনগণ যদি সচেতন না হয়, তাহলে ডেঙ্গুর মতো সংক্রামক রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া খুব কঠিন।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল পরিচালক মইনুল হাসান বাপ্পি জানান, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ চিকিৎসক কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যাতে একজন রোগী একজন নির্দিষ্ট চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকেন। এ ছাড়া হাসপাতালে বাড়তি প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়