শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২৩ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর: তিন ধরনের ভাতা বৃদ্ধি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর অপেক্ষমাণ। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি—বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাড়ানো। এবার সেই দাবি পূরণের পথে মন্ত্রণালয়।

বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাড়ার প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের কাছে অতিরিক্ত ৭৬৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। চিঠিতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এ টাকা সংস্থানের জন্য বলা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ জন। তাদের মাসিক বাড়িভাড়া ভাতা ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হলে অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে ৪৫৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

একইভাবে চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা করা হলে ২২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশে উন্নীত করলে আরো ৮৪ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। সব মিলিয়ে প্রয়োজন হবে ৭৬৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। শিক্ষা উপদেষ্টার চিঠিতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে ভাতা বাড়ানো জরুরি। এতে তাদের পেশাদারি যেমন বাড়বে, তেমনি শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
 
চিঠিতে শিক্ষা উপদেষ্টা লেখেন, সরকারের দায়িত্ব হলো দেশের শিক্ষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। কিন্তু অতীতে শিক্ষাখাতের বরাদ্দ কমিয়ে অবকাঠামো উন্নয়নে বেশি অর্থ ব্যয় করায় শিক্ষকদের জীবনযাত্রায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে। এ বৈষম্য কমাতে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক অবস্থান শক্তিশালী করতে শিক্ষা বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন।

চিঠিতে আরো লেখা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে বাড়ানো হয়েছিল। তবে কর্মচারীদের ভাতা ৫০ শতাংশের ওপরে না যাওয়ায় তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ কারণে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে উন্নীত করার দাবি তোলা হয়েছে। উৎস: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়