শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে ১২ প্রতিষ্ঠানের আবেদন

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন করেছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। সম্পূর্ণ ক্যাশলেস, ইন্টারনেট ও মোবাইল অ্যাপনির্ভর এই ব্যাংকগুলো স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকিং-সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। পরবর্তীকালে সময়সীমা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়। সেই অনুযায়ী, রবিবার (২ নভেম্বর) ছিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সোমবার (৩ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আবেদন করেছে। এগুলো হলো— ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত), অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন করে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হতে হবে ৩০০ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশন অনুসারে পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালনা করবে।

ডিজিটাল ব্যাংকের বিশেষত্ব হলো—এগুলোর কোনও শারীরিক শাখা, উপশাখা, এটিএম, সিডিএম বা সিআরএম থাকবে না। পুরো সেবাই পরিচালিত হবে মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই গ্রাহকরা এসব ব্যাংকের সেবা নিতে পারবেন।

গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড এবং অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর পেমেন্ট সেবা প্রদান করবে। তবে কোনো প্লাস্টিক কার্ড ইস্যু করা হবে না। গ্রাহকেরা চাইলে অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বা এজেন্ট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকগুলো কোনও ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না এবং বড় বা মাঝারি শিল্পে ঋণ প্রদান করতে পারবে না। তবে ক্ষুদ্র ঋণ বা খুচরা ঋণ দেওয়ার অনুমতি থাকবে।

এ ছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ব্যাংকিং প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকল্প নয়, বরং তা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার নতুন যুগের সূচনা করবে, যা বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও গতিশীল করে তুলবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়