শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইন জুয়ার ভয়ংকর ফাঁদ

রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়োন্দা পুলিশ (ডিবি)। চক্রটির মধ্যে রয়েছেন ৬ জন চীনা নাগরিক।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- এম এ জি, ঝাং জিয়াহাও, লিও জিনজি, ওয়াং শিবো, চাং তিয়ানতিয়ান, জেমস ঝু, কাউসার হোসেন, আব্দুল কারিম ও রোকন উদ্দিন। ডিবি বলছে, প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থাকা এসব চীনা নাগরিকরা প্রতারণার এই অর্থ নগদ বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঢুকছে আর তাৎক্ষণিকভাবে এই টাকাটা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।

গতকাল ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম। বলেন, আমরা ১লা মে থেকে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। অনলাইন জুয়া আসলে একটা মহামারি আকার ধারণ করেছে। এই অনলাইন জুয়ার মনিটরিং করতে গিয়ে আমাদের সাইবারের যে টিম আছে, সেই টিম রাজধানী উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন চক্রের ছয় সদস্যসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার সকালে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম নিয়মিত সাইবার মনিটরিং চলাকালে ফেসবুক, ইউটিউব, টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন, ডিপোজিট বোনাসের প্রলোভন এবং বিকাশ/নগদ ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেনের তথ্য শনাক্ত করে। এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে স্বল্প সময়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নম্বর সেক্টর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাউসার, করিম ও রোকনকে এবং তুরাগ থানাধীন রূপায়ন হাউজিং এলাকা থেকে চীনা নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের কাছ থেকে এই অনলাইন জুয়া কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনেক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিনটি ৬৪-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল (ভিওআইপি জিএসএম গেটওয়ে) মেশিন, ১টি ৮-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল মেশিন, ১টি ২৫৬-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস মডিউল মেশিন, বিভিন্ন অপারেটরের প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, একাধিক ল্যাপটপ, ২০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন, নগদ প্রায় ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা, বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট এবং এনআইডি ও একটি টয়েটো মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, চক্রটি প্রথমে প্রলোভন দেখিয়ে কিছু লাভ দেবে।

পরবর্তীতে দেখবেন যে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। আমরা অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখি এই টাকাটা নগদ বা বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঢুকছে। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাৎক্ষণিকভাবে টাকাটা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়