শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারে ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে জনদুর্ভোগ চরমে: তীব্র তাপদাহে শিশুদের নিয়ে অতিষ্ঠ পর্যটক, বিপাকে হোটেল ব্যবসায়ীরা

মিজান লিটন : সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারে ও তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কক্সবাজারে ঘুরতে আসা পর্যটকরা। ঈদুল আজহার ছুটিতে পর্যটকে মুখর দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন  ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলায় জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে,এতে করে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি শিকার হচ্ছে শিশু ও পরিবার নিয়ে নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরা।

অসহনীয় গরমে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। দিনে-রাতে লোডশেডিংয়ের কারণে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। পর্যটকদের অভিযোগ, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

পর্যটকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হোটেলগুলোর লিফট, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) এবং অন্যান্য সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। ফলে আনন্দময় ছুটি কাটাতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোকে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে কয়েকগুণ বেড়েছে জ্বালানি ব্যয়। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন অতিরিক্ত হাজার হাজার টাকা খরচ হওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, ঈদের দিন ভোরে কলাতলী সাবস্টেশনের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে শহর ও হোটেল-মোটেল জোনে চাহিদার তুলনায় প্রায় ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে।

কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাদের গণি জানান, বিকল ট্রান্সফরমার মেরামতের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদিকে পর্যটকদের দাবি সারা দেশ থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকরা এর পূর্বে এমন ভোগান্তির শিকার আর কখনো পরতে হয়নি।তাই তারা অতি দ্রুত এর একটি সুস্ট সমাধান চায়। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়