শিরোনাম
◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো 

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে এবছর প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার কোরবানি যোগ্য গবাদিপশু প্রস্তুত 

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলার খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভারতীয় গরু আমদানি না হলে এ বছর লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির জন্য জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৬টি গবাদিপশু। এর বিপরীতে জেলার মোট চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৮৫টি পশুর। ফলে অতিরিক্ত থাকবে ৩৯ হাজার ২২১টি পশু।

জেলায় প্রায় ৫৩৩টি খামারে পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে রয়েছে ৭৫ হাজার ২৬৭টি ষাঁড়, ৪ হাজার ১৩৪টি বলদ, ১৭ হাজার ৮৮৬টি গাভী, ৩ হাজার ৮৩৬টি মহিষ, ৮৪ হাজার ৯৪৩টি ছাগল এবং ৫ হাজার ২৯৮টি ভেড়া।

স্থানীয় খামারিরা জানান, দুধ উৎপাদনের পাশাপাশি উন্নত জাতের গবাদিপশু লালন পালনের মাধ্যমে তাদের আয় বাড়ছে। প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অনুপ্রেরণায় জেলায় গড়ে উঠেছে অনেক বাণিজ্যিক খামারও।

করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের জেসি এগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রিয়াদ মিয়া জানান, তাদের খামারে প্রায় ২৫০টি গরু রয়েছে, যার মধ্যে ১৫০টি ষাঁড়। তিনি বলেন, আমাদের খামারে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করা হয়। তাই কোরবানির আগেই প্রায় ৮০ শতাংশ গরু বুকিং হয়ে গেছে। খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার দামও কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে।

সদর উপজেলার খামারি পাভেজ মিয়া বলেন, আমি এ বছর নতুন খামারি। ৫টি গরু নিয়ে খামার শুরু করেছি। বাজার ভালো হলে ভালো দামে বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।

এদিকে অনেক ক্রেতাই সরাসরি খামার থেকে গরু কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আবুল হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, হাট থেকে গরু কিনলে হাসিলসহ বাড়তি খরচ হয়। খামার থেকে কিনলে সেই খরচ দিতে হয় না, পাশাপাশি পশু সুস্থ আছে কি না তাও নিশ্চিত হওয়া যায়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান বলেন, প্রতি বছর কোরবানির চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়। এ বছর বাজার ভালো থাকলে প্রায় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার পশুগুলো প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজা হওয়ায় দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়