শিরোনাম
◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা! ◈ প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ◈ বিশ্বকাপ, যুক্তরা‌স্ট্রে নামতেই ৭ ঘণ্টা ধরে জেরা ইরা‌কের তারকা ফুটবলার আইমেন হো‌সেন‌কে ◈ সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল ◈ সংসদ সদস‌্যদের একসময় চাহিদা ছিল সড়ক ও সেতু, এখন চান বিশ্ববিদ্যালয়  ◈ বিশ্বকাপের আগে নতুন বিতর্ক, ইরানের ১৪ কর্মকর্তা ও স্টাফকে ভিসা দিলো না যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৭:১২ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে তরুণ উদ্যোক্তার আঙ্গুর বিপ্লব, ৩ বিঘা থেকে এখন ২০ বিঘার ফল বাগান

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের আঙ্গুর বাগান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার গল্প। ২০২৪ সালে মাত্র ৩ বিঘা জমিতে আঙ্গুর চাষ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তার বাগান বিস্তৃত হয়েছে ২০ বিঘায়, যার মধ্যে ৭ বিঘা জুড়ে রয়েছে আঙ্গুরের চাষ।

উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের হাসাদহ তালপুকুর মাঠে গড়ে ওঠা এই বাগানে প্রতিদিনই চলছে আঙ্গুর সংগ্রহ। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ ক্যারেট আঙ্গুর উৎপাদন হচ্ছে বলে জানান উদ্যোক্তা লাল। জেলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা সরাসরি বাগানে এসে আঙ্গুর কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়।

লাল জানান, তার এই বাগানে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক দৈনিক চুক্তিতে এবং আরও ১৫ জন মাসিক চুক্তিতে কাজ করছেন। ফলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

কুষ্টিয়া থেকে আসা পাইকার শরীফ বলেন, “অনলাইনে বাগানটি দেখে এখানে এসেছি। দেশের বাইরে থেকে যে আঙ্গুর আসে, এর মানও প্রায় একই রকম। তাই এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়ে আমার পার্টিদের কাছে বিক্রি করব।”

 কার্পাস ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল লতিফ জানান, “আমি দীর্ঘদিন ধরে আঙ্গুর চাষের পরিকল্পনা করছিলাম। আজ লাল ভাইয়ের বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। ১,৫০০টি চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছি, নিজের বাগান গড়ার জন্য।”

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও বাগানটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। স্কুলছাত্র আব্দুর রহিম বলে, “আমাদের বাড়ি পাশের গ্রামে। মাঝে মাঝেই আমরা বাগানে আসি। এখানে এসে আঙ্গুর খেতেও পাই, খুব ভালো লাগে।”

খয়েরহুদা গ্রামের গৃহবধূ সপ্না তার ছোট মেয়ে লাবনীকে নিয়ে বাগান দেখতে এসে বলেন, “অনলাইনে দেখে আজ সরাসরি এলাম। বাগান খুব সুন্দর। গাছ থেকে আঙ্গুর খেয়েছি, যাওয়ার সময় কিছু কিনেও নিয়ে যাব।”

তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের এই সফলতা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক পদ্ধতিতে ফল চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার এ উদ্যোগ এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়